শনিবার, মে ২১, ২০২২
Google search engine
Homeখবরচেয়ারম্যান হয়েই দুধ দিয়ে গোসল

চেয়ারম্যান হয়েই দুধ দিয়ে গোসল

সময় পোস্ট ডেস্ক: টানা দুইবার ইউপি সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর এবার চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেই বাজিমাত করেছেন আলমগীর হোসেন আলম। গত বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচনে সিলেটের সীমান্তজনপদ কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার পূর্ব ইসলামপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।  

নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন আলম পূর্ব ইসলামপুর ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে আনারস প্রতীকে ৫ হাজার ২৮১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হন তিনি। আলমগীর হোসেন আলম পূর্ব ইসলামপুর ইউনিয়নে খায়েরগাঁও গ্রামের মৃত ছিদ্দিকুর রহমান ছেলে। তিনি কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য।নির্বাচিত হয়েই দুধ দিয়ে গোসল সেরে বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন শিক্ষায় প্রাথমিকের গন্ডি পেরোনো নব নির্বাচিত এই চেয়ারম্যান। তার এমন অদ্ভুত কাণ্ডে এলাকার লোকজনও অবাক।    

নির্বাচিত হয়ে নানাভাবে বিজয়োল্লাস করেন প্রার্থীরা। ফুল দিয়ে বরণ, শুভেচ্ছা বিনিময়, সংবর্ধনা, মিষ্টি বিতরণ, নেঁচে-গেয়ে, ঢাকঢোল বাজিয়ে বিজয় উদযাপন করে থাকেন। কিন্তু চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী সাবেক বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেন আলমকে বাড়িতে দুধ দিয়ে গোসল করিয়ে বরণ করে নেন পরিবারের লোকজন। দুধ দিয়ে গোসল করানোর আয়োজনটি ঘরোয়া পরিবেশে সীমাবদ্ধ থাকেনি। দুধ দিয়ে গোসলের ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। তার এমন বিচিত্র কান্ডে বিব্রত এলাকার লোকজন। অনেকে ভিডিওটি দেখার পর ভৎসনা করছেন।

নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান আলমগীর আলম বলেন, ‘আমার চাচি আম্মার ভাই বাবুল মিয়া ইউনিয়ন পরিষদে গত দুই বারের চেয়ারম্যান ছিলেন। তার পরিষদে দুই মেয়াদে ইউপি সদস্য ছিলাম আমি। এ অবস্থায় গত মেয়াদে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে চেয়েছি। কিন্তু বাবুল মিয়ার বোন আমার চাচির অনুরোধে প্রার্থী হইনি। এবার তিনি না দাঁড়িয়ে আমাকে সুযোগ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তিনি আমাকে ছাড় না দিয়ে বেঈমানির উচিত শিক্ষা পেয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে গিয়ে ৫ নম্বর হয়েছেন। চাচির ইচ্ছা ছিল আমি পাস করলে দুধ দিয়ে গোসল করাবেন। বাড়ি ফেরার পর তিনি কথা রাখতে গিয়ে সেটি করেছেন। যদিও এটা করা উচিত হয়নি। কেননা, দুধ আল্লাহর নেয়ামত, মানুষের পান করার জন্য। ’ একদিন পর যখন দেখেছেন মানুষ বিরুপ মন্তব্য করছে, তখন সেটি সরিয়ে নিয়েছেন। এরজন্য তিনি এলাকার মানুষের কাছে লজ্জিত এবং ক্ষমা প্রার্থী।   

শিক্ষার দিক থেকে ৫ম শ্রেণি পাস করে আর পড়ালেখা হয়নি জানিয়ে আলমগীর বলেন, এবারের নির্বাচনে চাচির আপন ভাই, আমার মামা বেঈমানি করেছেন। প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না বলেও প্রার্থী হয়েছেন। তাই ভোটাররা তাকে উচিত শিক্ষা দিয়েছেন।  তিনি বলেন, আগে আমি বিএনপি করতাম। দলীয় অনুষ্ঠানে যেতাম। এখন কোনো দল করি না। তাই স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছিলাম।

সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -spot_img

সর্বাধিক পাঠিত

সাম্প্রতিক মন্তব্য

AllEscort