Dhaka 7:15 pm, Saturday, 7 February 2026
শিরোনাম:
বঙ্গবন্ধু প্রকৌশল পরিষদের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম এখন জুলাই গণহত্যা স্মৃতি জাদু ঘরের প্রকল্প পরিচালক ১২০ কোটি টাকার ১২ তলা সরকারি সমন্বিত অফিস ভবন নির্মান প্রকল্পের দরপত্র, কোটি টাকা ঘুষ গ্রহনের অভিযোগ গণপূর্ত প্রকৌশলী ফ্যাসিবাদের দোসর টিপু মুন্সির ভায়রা আবু নাসের চৌধুরী ঢাকায় পোষ্টিং বাগিয়ে বহাল তবিয়তে আবার সক্রিয় বঙ্গবন্ধু ডিপ্লোমা প্রকৌশল পরিষদ নেতা আলী আকবর সরকার বিএফআইইউ এবং আদালতের আদেশ অমান্য করে অবরুদ্ধকর প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নামে হিসাব খোলায় প্রিমিয়ার ব্যাংকের এমডির বিরুদ্ধে অভিযোগ ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের ট্রাম্প পরিকল্পনায় ভেটো জেলেনস্কির ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু সাংবাদিক তুহিন হত্যা মামলার চার্জশিট ১৫ দিনের মধ্যে: জিএমপি কমিশনার ছাত্রদলের কমিটির মাধ্যমে ছাত্রলীগকে পুনর্বাসন করা হচ্ছে: শিবির সেক্রেটারি নির্বাচন সিস্টেমের উপর মানুষের আস্থা নষ্ট হয়ে গেছে : সিইসি

বঙ্গবন্ধু প্রকৌশল পরিষদের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম এখন জুলাই গণহত্যা স্মৃতি জাদু ঘরের প্রকল্প পরিচালক

নিজস্ব প্রতিবেদক: গণপূর্তের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ঢাকা সার্কেল ১ মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম সদালাপী, সদা হাস্য একজন মানুষ। নিসন্দেহে তিনি অনেক গুনী, তা না হলে ৩৭ জন তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর মধ্যে আর কাউকে খুজে পাওয়া গেলোনা যে কিনা জুলাই গণহত্যা স্মৃতি জাদু ঘরের প্রকল্প পরিচালক হতে পারে, ফলে বঙ্গবন্ধু প্রকৌশল পরিষদের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হওয়া সত্বেও এ পদে তাকেই রাখা হয়েছে। তিনি অবশ্য আওয়ামীলীগের ঘরের ছেলে হিসাবে নিষ্ঠার সাথে সাবেক ফ্যাসিস্টদের পৃষ্ঠ পোষকতা করে যাচ্ছেন। জুলাই গণহত্যা স্মৃতি জাদু ঘরে যেই ঠিকাদারই কাজ করুক না কেন , সাব কন্ট্রাক্টর এর কাজ বাধ্যতা মূলকভাবে প্যারাডাইম এর ফয়সালকে দিতে হচ্ছে। এই প্যারাডাইম , গোপাল গঞ্জের সাবেক সচিব শহীদুল্লাহ খন্দকারের ফার্ম এবং ফ্যাসিস্টের আমলে একচেটিয়া গণভবন, প্রধান মন্ত্রীর কার্যালয়, সংসদ ভবন ও সচিবালয়ে ইন্টেরিয়রের নামে জনগনের করের টাকার হরিলুট করেছেন। প্যারাডাইমকে কাজ দেয়া নিয়ে মন্ত্রনালয় এবং দুদকে তদন্ত চলার ফলে সুকৌশলে অন্য নামে কন্সোর্টিয়াম করে প্যারাডাইম কাজ করছে। প্রথম ধাপে প্যারাডাইম কে দিয়ে অতি উচ্চমূল্যে প্রাক্কলন করে সরাসরি ক্রয় প্রক্রিয়া (ডিপিএম) করার পায়তারা করছিলেন ঢাকা গণপূর্ত বিভাগ ২ এর সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী এ এস এম সানাউল্লাহ, মনিরুল ও প্যারডাইম। ঢাকা মেট্রোপলিটন জোনের তৎকালীন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী জনাব খালেকুজ্জামান চৌধুরী এই পুকুর চুরি ধরতে পেরে আরেকটি বালিশ কান্ড যাতে না ঘটে সে জন্য দুই কোটি টাকার প্রাক্কলন কেটে দেন। মন্ত্রনালয়ও আর ডিপিএম এর অনুমতি দেয়নি। এ কথা সর্বজন বিদিত যে, ঢাকা গণপূর্ত বিভাগ–২–এ দায়িত্ব পালনকালে সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী এএসএম সানাউল্লাহ, সাবেক প্রধান প্রকৌশলী শামীম আখতারের ভেরিয়েশন, টেন্ডার বাবদ পার্সেন্টেজ কালেক্ট করতেন। ফলে তাকে ওটিএম করে পছন্দের ঠিকাদারদের কাজ দেয়ার লাইসেন্স দিয়ে রেখেছিলেন শামীম আখতার। সানাউল্লাহর মাধ্যমে মনিরুল ইসলাম তার ঘনিষ্ঠ ঠিকাদারদের একাধিক কাজ পাইয়ে দেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, ওপেন টেন্ডার মেথডে নিয়ম ভেঙে কাজ দেওয়া হলেও অনেক প্রকল্প শেষ না হতেই পুরো বিল পরিশোধ করা হয়েছে। এসব কাজের আইডি নম্বর হিসেবে উঠে এসেছে 997828, 997827, 997826, 997825, 995647, 994880, 994647, 994646, 994817 ও 994818। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এসব প্রকল্প তদন্ত হলে ‘ওটিএম কেলেঙ্কারি’র মতো বড় অনিয়ম সামনে আসতে পারে। এছাড়া তিনি অর্থের লোভে বিগত দুই অর্থবছরে বেশ কয়েকটি ডিভিশনের উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন যোগ্য ভেরিয়েশন অনুমোদনের ফাইল নিজে পাশ করে দিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে এমন অভিযোগ রয়েছে যার প্রমানক প্রতিবেদকের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে।

তিনি ঢাকা সার্কেল ৩ এর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর পদে থাকার সময় স্পীকার শিরিন শারমিন চৌধুরীর স্নেহ ভাজন ছিলেন। জুলাই বিপ্লবের আগে বিলুপ্ত সংসদের সাবেক স্পীকারের স্বামীকে এক চেটিয়া ঠিকাদারি কাজের সুযোগ দিয়ে তিনি এই আনুকূল্য পান। এর আগে অবশ্য এই সাবেক ছাত্র লীগ নেতা রক্ষনাবেক্ষনের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ছিলেন। সেখানে তিনি আর্থিক খাতে নিয়ম ভেঙ্গে এপিপি অনুমোদন দিয়ে একশ কোটি টাকা বকেয়া করে এসেছেন। চট্টগ্রাম, রাঙ্গামাটি সার্কেলে ডেল্টা, ইউনুস এন্ড ব্রাদার্স, গ্যালাক্সী এসোসিয়েটস এর সাথে তার বেনামে ব্যবসা কারো অজানা নয়। এ নিয়ে দুদক ও মন্ত্রনালয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হলেও সুকৌশলে বার বার পার পেয়ে যান এবং তর তর করে প্রোমোশন ও প্রাইজ পোস্টিং পেয়েছেন। অতি সম্প্রতি তিনি এবং তার পছন্দের নির্বাহী প্রকৌশলী নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্র লীগের কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী সংসদ এর এক সহ-সম্পাদক কে ঠিকাদার বানিয়ে ভি,ভি,আই,পি দের অফিস ও বাসভবনে ঢুকানোর সুপারিশ করেছেন। সেই ছাত্রলীগ নেতা যে গেরিলা হামলার প্রশিক্ষন নেয়নি, সে যে আরেকটা শহীদ উসমান হাদীর হত্যা কান্ডের মতো আরেকটা ঘটনা ঘটাবেনা তার গ্যারান্টি কি? আমরা কিছু বললেই গণ পূর্ত অধিদপ্তরে আজকাল অনেকের গায়ে ফোসকা পড়ে। আমরা নাকি হলুদ সাংবাদিকতা করি, ভিত্তীহীন তথ্য ছড়িয়ে মহান আমলাদের চরিত্র হনন করি। গত ৫ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে কয়েকটা পত্রিকায় আরেক দূর্নীতিবাজ প্রকৌশলী শাহ আলম ফারুক চৌধুরীকে নিয়ে সংবাদ প্রচার হয়েছিল হাজার কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন দেশ ত্যাগে নিষেদজ্ঞা আরোপ করা প্রয়োজন। তার কয়েক মাস পর আজ তিনি হাজার কোটি টাকা পাচার করে কানাডার বেগম পাড়ায় পালিয়ে গেছেন। এই মনিরুলরাও এক সময় দেশের টাকা বিদেশে পাচার করে, দেশটাকে খোকলা বানিয়ে দিয়ে পালিয়ে যাবে ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

News Update

বঙ্গবন্ধু প্রকৌশল পরিষদের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম এখন জুলাই গণহত্যা স্মৃতি জাদু ঘরের প্রকল্প পরিচালক

বঙ্গবন্ধু প্রকৌশল পরিষদের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম এখন জুলাই গণহত্যা স্মৃতি জাদু ঘরের প্রকল্প পরিচালক

Update Time : 12:56:26 pm, Saturday, 7 February 2026

নিজস্ব প্রতিবেদক: গণপূর্তের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ঢাকা সার্কেল ১ মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম সদালাপী, সদা হাস্য একজন মানুষ। নিসন্দেহে তিনি অনেক গুনী, তা না হলে ৩৭ জন তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর মধ্যে আর কাউকে খুজে পাওয়া গেলোনা যে কিনা জুলাই গণহত্যা স্মৃতি জাদু ঘরের প্রকল্প পরিচালক হতে পারে, ফলে বঙ্গবন্ধু প্রকৌশল পরিষদের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হওয়া সত্বেও এ পদে তাকেই রাখা হয়েছে। তিনি অবশ্য আওয়ামীলীগের ঘরের ছেলে হিসাবে নিষ্ঠার সাথে সাবেক ফ্যাসিস্টদের পৃষ্ঠ পোষকতা করে যাচ্ছেন। জুলাই গণহত্যা স্মৃতি জাদু ঘরে যেই ঠিকাদারই কাজ করুক না কেন , সাব কন্ট্রাক্টর এর কাজ বাধ্যতা মূলকভাবে প্যারাডাইম এর ফয়সালকে দিতে হচ্ছে। এই প্যারাডাইম , গোপাল গঞ্জের সাবেক সচিব শহীদুল্লাহ খন্দকারের ফার্ম এবং ফ্যাসিস্টের আমলে একচেটিয়া গণভবন, প্রধান মন্ত্রীর কার্যালয়, সংসদ ভবন ও সচিবালয়ে ইন্টেরিয়রের নামে জনগনের করের টাকার হরিলুট করেছেন। প্যারাডাইমকে কাজ দেয়া নিয়ে মন্ত্রনালয় এবং দুদকে তদন্ত চলার ফলে সুকৌশলে অন্য নামে কন্সোর্টিয়াম করে প্যারাডাইম কাজ করছে। প্রথম ধাপে প্যারাডাইম কে দিয়ে অতি উচ্চমূল্যে প্রাক্কলন করে সরাসরি ক্রয় প্রক্রিয়া (ডিপিএম) করার পায়তারা করছিলেন ঢাকা গণপূর্ত বিভাগ ২ এর সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী এ এস এম সানাউল্লাহ, মনিরুল ও প্যারডাইম। ঢাকা মেট্রোপলিটন জোনের তৎকালীন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী জনাব খালেকুজ্জামান চৌধুরী এই পুকুর চুরি ধরতে পেরে আরেকটি বালিশ কান্ড যাতে না ঘটে সে জন্য দুই কোটি টাকার প্রাক্কলন কেটে দেন। মন্ত্রনালয়ও আর ডিপিএম এর অনুমতি দেয়নি। এ কথা সর্বজন বিদিত যে, ঢাকা গণপূর্ত বিভাগ–২–এ দায়িত্ব পালনকালে সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী এএসএম সানাউল্লাহ, সাবেক প্রধান প্রকৌশলী শামীম আখতারের ভেরিয়েশন, টেন্ডার বাবদ পার্সেন্টেজ কালেক্ট করতেন। ফলে তাকে ওটিএম করে পছন্দের ঠিকাদারদের কাজ দেয়ার লাইসেন্স দিয়ে রেখেছিলেন শামীম আখতার। সানাউল্লাহর মাধ্যমে মনিরুল ইসলাম তার ঘনিষ্ঠ ঠিকাদারদের একাধিক কাজ পাইয়ে দেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, ওপেন টেন্ডার মেথডে নিয়ম ভেঙে কাজ দেওয়া হলেও অনেক প্রকল্প শেষ না হতেই পুরো বিল পরিশোধ করা হয়েছে। এসব কাজের আইডি নম্বর হিসেবে উঠে এসেছে 997828, 997827, 997826, 997825, 995647, 994880, 994647, 994646, 994817 ও 994818। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এসব প্রকল্প তদন্ত হলে ‘ওটিএম কেলেঙ্কারি’র মতো বড় অনিয়ম সামনে আসতে পারে। এছাড়া তিনি অর্থের লোভে বিগত দুই অর্থবছরে বেশ কয়েকটি ডিভিশনের উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন যোগ্য ভেরিয়েশন অনুমোদনের ফাইল নিজে পাশ করে দিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে এমন অভিযোগ রয়েছে যার প্রমানক প্রতিবেদকের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে।

তিনি ঢাকা সার্কেল ৩ এর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর পদে থাকার সময় স্পীকার শিরিন শারমিন চৌধুরীর স্নেহ ভাজন ছিলেন। জুলাই বিপ্লবের আগে বিলুপ্ত সংসদের সাবেক স্পীকারের স্বামীকে এক চেটিয়া ঠিকাদারি কাজের সুযোগ দিয়ে তিনি এই আনুকূল্য পান। এর আগে অবশ্য এই সাবেক ছাত্র লীগ নেতা রক্ষনাবেক্ষনের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ছিলেন। সেখানে তিনি আর্থিক খাতে নিয়ম ভেঙ্গে এপিপি অনুমোদন দিয়ে একশ কোটি টাকা বকেয়া করে এসেছেন। চট্টগ্রাম, রাঙ্গামাটি সার্কেলে ডেল্টা, ইউনুস এন্ড ব্রাদার্স, গ্যালাক্সী এসোসিয়েটস এর সাথে তার বেনামে ব্যবসা কারো অজানা নয়। এ নিয়ে দুদক ও মন্ত্রনালয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হলেও সুকৌশলে বার বার পার পেয়ে যান এবং তর তর করে প্রোমোশন ও প্রাইজ পোস্টিং পেয়েছেন। অতি সম্প্রতি তিনি এবং তার পছন্দের নির্বাহী প্রকৌশলী নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্র লীগের কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী সংসদ এর এক সহ-সম্পাদক কে ঠিকাদার বানিয়ে ভি,ভি,আই,পি দের অফিস ও বাসভবনে ঢুকানোর সুপারিশ করেছেন। সেই ছাত্রলীগ নেতা যে গেরিলা হামলার প্রশিক্ষন নেয়নি, সে যে আরেকটা শহীদ উসমান হাদীর হত্যা কান্ডের মতো আরেকটা ঘটনা ঘটাবেনা তার গ্যারান্টি কি? আমরা কিছু বললেই গণ পূর্ত অধিদপ্তরে আজকাল অনেকের গায়ে ফোসকা পড়ে। আমরা নাকি হলুদ সাংবাদিকতা করি, ভিত্তীহীন তথ্য ছড়িয়ে মহান আমলাদের চরিত্র হনন করি। গত ৫ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে কয়েকটা পত্রিকায় আরেক দূর্নীতিবাজ প্রকৌশলী শাহ আলম ফারুক চৌধুরীকে নিয়ে সংবাদ প্রচার হয়েছিল হাজার কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন দেশ ত্যাগে নিষেদজ্ঞা আরোপ করা প্রয়োজন। তার কয়েক মাস পর আজ তিনি হাজার কোটি টাকা পাচার করে কানাডার বেগম পাড়ায় পালিয়ে গেছেন। এই মনিরুলরাও এক সময় দেশের টাকা বিদেশে পাচার করে, দেশটাকে খোকলা বানিয়ে দিয়ে পালিয়ে যাবে ।