Dhaka 9:25 pm, Friday, 14 August 2026
শিরোনাম:
১৬ বছরের সমস্যা ৫-৬ মাসে শতভাগ সমাধান সম্ভব নয় : মাহ্দী আমিন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উদ্যোগ, গহীন পাহাড়ে আবারও বাজবে—‘স্কুলঘণ্টা’ বাংলাদেশকে বৈশ্বিক হালাল হাব হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর চাকরি গেল বিপ্লব কুমার, গোলাম রুহানীসহ ৬ পুলিশ কর্মকর্তার পুলিশের ৭ কর্মকর্তার বদলি-পদায়ন ফ্যাসিবাদী সময়ের কৃত্রিম ফলাফলের সংস্কৃতি ভেঙে নিরপেক্ষ মূল্যায়ন করা হয়েছে: মাহদী আমিন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ জুলাই ডকুমেন্টারিতে আবু সাঈদের অনুপস্থিতি, ক্ষোভ প্রকাশ করলেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি জুলাই সনদ ও নির্বাচনি ইশতেহারের আলোকে সংবিধান সংশোধন, সবার মতামত নেবে বিশেষ কমিটি

বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে বাংলাদেশ-মিয়ানমার বৈঠক

সময় পোস্ট :বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত কিয়াও সোয়ে মোয়ে’র বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণ, সীমান্ত বাণিজ্য পুনরায় চালু এবং রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আজ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে পণ্য আমদানি-রপ্তানি বৃদ্ধি, নৌপরিবহন যোগাযোগ জোরদার, এলএনজি আমদানি এবং পারস্পরিক বিনিয়োগের সুযোগ সম্প্রসারণের বিষয়েও মতবিনিময় হয়। আলোচনাকালে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে পারস্পরিক সম্মান, আস্থা ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার ভিত্তিতে সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বাণিজ্য, পরিবহন, বিনিয়োগ ও সীমান্ত যোগাযোগসংক্রান্ত যেসব বিষয় অন্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত, সেগুলো আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয়ের মাধ্যমে পর্যালোচনা করা হবে। ভৌগোলিক নৈকট্য ও বিদ্যমান সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য আরও বাড়ানো সম্ভব মন্তব্য করে তিনি আরও বলেন, পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও গতিশীল করা হবে। মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত কিয়াও সোয়ে মোয়ে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে স্থগিত থাকা সীমান্ত বাণিজ্য পুনরায় চালু করা গেলে উভয় দেশের ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ উপকৃত হবেন। প্রয়োজনে প্রাথমিকভাবে সীমিত পরিসরে এ কার্যক্রম শুরু করা যেতে পারে। বৈঠকে কৃষিপণ্য, মৎস্যপণ্য, চাল, ওষুধ ও হিমায়িত খাদ্যসহ সম্ভাবনাময় বিভিন্ন পণ্যের বাণিজ্য বাড়ানোর সুযোগ নিয়ে আলোচনা হয়। ব্যবসায়ী পর্যায়ে যোগাযোগ এবং বিজনেস-টু-বিজনেস (বি-টু-বি) কার্যক্রম জোরদারের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

এ সময় বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, টেকসই ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের বিষয়টিও আলোচনায় আসে। মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত জানান, প্রত্যাবাসনের জন্য পাওয়া তালিকা যাচাই-বাছাইয়ের কাজ চলছে এবং পরিস্থিতি অনুকূলে এলে এ বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হবে। বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে দ্রুত প্রত্যাবাসনের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি এবং দৃশ্যমান অগ্রগতির ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়। এতে উভয় পক্ষ নিয়মিত প্রাতিষ্ঠানিক আলোচনা ও যৌথ কমিটির বৈঠক আয়োজনের বিষয়ে একমত হয়।  পাশাপাশি বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে সরাসরি নৌ যোগাযোগ প্রতিষ্ঠা এবং এ-সংক্রান্ত চুক্তি দ্রুত চূড়ান্ত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন-বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান খান, অতিরিক্ত সচিব (এফটিএ) আয়েশা আক্তার এবং মিয়ানমার দূতাবাসের কাউন্সিলর মিয়াত লুইন। সূত্র : বাসস

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

News Update

জনপ্রিয় সংবাদ

১৬ বছরের সমস্যা ৫-৬ মাসে শতভাগ সমাধান সম্ভব নয় : মাহ্দী আমিন

বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে বাংলাদেশ-মিয়ানমার বৈঠক

Update Time : 11:02:13 am, Sunday, 2 August 2026

সময় পোস্ট :বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত কিয়াও সোয়ে মোয়ে’র বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণ, সীমান্ত বাণিজ্য পুনরায় চালু এবং রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আজ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে পণ্য আমদানি-রপ্তানি বৃদ্ধি, নৌপরিবহন যোগাযোগ জোরদার, এলএনজি আমদানি এবং পারস্পরিক বিনিয়োগের সুযোগ সম্প্রসারণের বিষয়েও মতবিনিময় হয়। আলোচনাকালে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে পারস্পরিক সম্মান, আস্থা ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার ভিত্তিতে সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বাণিজ্য, পরিবহন, বিনিয়োগ ও সীমান্ত যোগাযোগসংক্রান্ত যেসব বিষয় অন্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত, সেগুলো আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয়ের মাধ্যমে পর্যালোচনা করা হবে। ভৌগোলিক নৈকট্য ও বিদ্যমান সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য আরও বাড়ানো সম্ভব মন্তব্য করে তিনি আরও বলেন, পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও গতিশীল করা হবে। মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত কিয়াও সোয়ে মোয়ে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে স্থগিত থাকা সীমান্ত বাণিজ্য পুনরায় চালু করা গেলে উভয় দেশের ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ উপকৃত হবেন। প্রয়োজনে প্রাথমিকভাবে সীমিত পরিসরে এ কার্যক্রম শুরু করা যেতে পারে। বৈঠকে কৃষিপণ্য, মৎস্যপণ্য, চাল, ওষুধ ও হিমায়িত খাদ্যসহ সম্ভাবনাময় বিভিন্ন পণ্যের বাণিজ্য বাড়ানোর সুযোগ নিয়ে আলোচনা হয়। ব্যবসায়ী পর্যায়ে যোগাযোগ এবং বিজনেস-টু-বিজনেস (বি-টু-বি) কার্যক্রম জোরদারের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

এ সময় বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, টেকসই ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের বিষয়টিও আলোচনায় আসে। মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত জানান, প্রত্যাবাসনের জন্য পাওয়া তালিকা যাচাই-বাছাইয়ের কাজ চলছে এবং পরিস্থিতি অনুকূলে এলে এ বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হবে। বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে দ্রুত প্রত্যাবাসনের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি এবং দৃশ্যমান অগ্রগতির ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়। এতে উভয় পক্ষ নিয়মিত প্রাতিষ্ঠানিক আলোচনা ও যৌথ কমিটির বৈঠক আয়োজনের বিষয়ে একমত হয়।  পাশাপাশি বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে সরাসরি নৌ যোগাযোগ প্রতিষ্ঠা এবং এ-সংক্রান্ত চুক্তি দ্রুত চূড়ান্ত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন-বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান খান, অতিরিক্ত সচিব (এফটিএ) আয়েশা আক্তার এবং মিয়ানমার দূতাবাসের কাউন্সিলর মিয়াত লুইন। সূত্র : বাসস