Dhaka 5:20 am, Friday, 2 October 2026
শিরোনাম:
ঢাকায় ‘ক্যানবেরা ইউনিভার্সিটি’ ক্যাম্পাস চালুর আহ্বান,অস্ট্রেলিয়া থেকে এলএনজি আমদানির প্রস্তাব রাষ্ট্রপতির ফেনী-পরশুরামে ১,৫৪২ কোটি টাকার মুহুরী-কহুয়া প্রকল্প উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী আনসার-ভিডিপির নতুন সদর দপ্তর, নতুন উদ্দীপনায় কাজের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাংলা কিউআর’ লেনদেন সম্পূর্ণ ফ্রি, লাগবে না কোনো চার্জ: অর্থমন্ত্রী ভিন্নমতের প্রতি সম্মানই গণতন্ত্রের আসল শক্তি’: মাহদী আমিন বাংলাদেশ-জাপান সাংস্কৃতিক সেতুবন্ধনে প্রোসার্চ শিক্ষার্থীদের মাঙ্গা বই উপহার প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সফরে বাংলাদেশের স্বার্থ ও বৈশ্বিক সম্ভাবনার বিষয় গুরুত্ব পেয়েছে: মাহদী আমিন বিনিয়োগ, রোহিঙ্গা ও তিস্তা প্রকল্পে চীনের সহযোগিতা চাইলেন রাষ্ট্রপতি যৌক্তিক কারণ ছাড়া প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো যাবে না: প্রধানমন্ত্রী ভঙ্গুর অর্থনীতি থেকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার পথে বাংলাদেশ: ড. তিতুমীর

ফেনী-পরশুরামে ১,৫৪২ কোটি টাকার মুহুরী-কহুয়া প্রকল্প উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

সময় পোস্ট:ফেনী অঞ্চলের দীর্ঘদিনের বন্যা সমস্যা স্থায়ীভাবে নিরসন, নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন ও কৃষি খাতে সেচ সুবিধা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ১ হাজার ৫৪২ কোটি ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি মেগা প্রকল্পের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ফেনীর পরশুরাম উপজেলার উপকণ্ঠে খোয়াইঘাট মুহুরী ব্রিজ এলাকায় ফলক উন্মোচন করে ‘মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্প পুনর্বাসন (১ম পর্যায়)’ এর শুভ সূচনা করেন তিনি। ফলক উন্মোচন শেষে প্রধানমন্ত্রী সেখানে উপস্থিত বিপুলসংখ্যক স্থানীয় জনসাধারণের সঙ্গে কুশল ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। পরে প্রকল্প এলাকায় তিনি একটি স্মারক বৃক্ষরোপণ করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ফেনীর পরশুরাম, ফুলগাজী ও ছাগলনাইয়া অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের বন্যা ও জলাবদ্ধতার অভিশাপ দূর হবে। একই সঙ্গে আধুনিক সেচ সুবিধার ফলে স্থানীয় কৃষিক্ষেত্রে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে। পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের গত ১৬ জুন জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এই মেগা প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। ২০৩০ সালের মধ্যে প্রকল্পের কাজ সম্পূর্ণ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রথম পর্যায়ের এই প্রকল্পের আওতায় প্রধান যে কাজগুলো সম্পন্ন করা হবে তার মধ্যে রয়েছে—৬৭ দশমিক ৯২ কিলোমিটার বিদ্যমান বাঁধ পুনর্বাসন, নদী ভাঙন রোধে ১১ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণ, পানি ধারণক্ষমতা বাড়াতে ৮৩ দশমিক ৫০ কিলোমিটার নদী ও জলাধার পুনঃখনন, ২৭টি সেচ অবকাঠামো পুনর্বাসন এবং অববাহিকার পানি নিষ্কাশনে ৭৭টি ইনলেট নির্মাণ। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্রথম পর্যায়ের কাজ শেষ হওয়ার পর দ্বিতীয় পর্যায়ে মুহুরী ও কহুয়া নদীতে নতুন বাঁধ নির্মাণ এবং সিলোনিয়া নদীতেও বাঁধ নির্মাণ, নদী খনন ও ব্যাপক সংস্কার কাজ পরিচালনার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।
এর আগে আজ সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে ঢাকার গুলশানের বাসভবন থেকে সড়কপথে ফেনীর উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দুপুর সোয়া একটার দিকে তাঁর বহর ফেনীতে এসে পৌঁছায়। পরশুরামে মুহুরী-কহুয়া প্রকল্প উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী ফুলগাজীতে যান। সেখানে তিনি প্রথমে বেগম খালেদা জিয়া মহিলা কলেজে চলমান বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী ফুলগাজী জেলা পরিষদ ডাকবাংলো পরিদর্শন করেন এবং সেখানে ছাদভিত্তিক (রুফটপ) সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। সরকারি উদ্যোগে ফুলগাজী, পরশুরাম ও ছাগলনাইয়া উপজেলার সরকারি ভবনগুলোর ছাদে মোট ৯৬২ দশমিক ৫ কিলোওয়াট ক্ষমতার এই সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে ছাগলনাইয়ায় ৪১৫ কিলোওয়াট, পরশুরামে ২৯৮ কিলোওয়াট এবং ফুলগাজীতে ২৪৯ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ সরাসরি জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে, যা স্থানীয় বিদ্যুৎ ঘাটতি পূরণে ভূমিকা রাখবে। বিকেলে ফুলগাজী সরকারি পাইলট হাইস্কুল মাঠে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তিনি সরকারের জনকল্যাণমুখী কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মাঝে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণ করেন। ফুলগাজী উপজেলায় মোট ৫১০ জন ফ্যামিলি কার্ড এবং পুরো জেলাজুড়ে ৭ হাজার ৬৪৩ জন প্রান্তিক চাষী কৃষক কার্ড পান। একই অনুষ্ঠান থেকে প্রধানমন্ত্রী ফুলগাজী উপজেলার ২৩৮ জন মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম এবং পুরোহিতসহ অন্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের হাতে রাষ্ট্রীয় সম্মানী ও অনুদান তুলে দেন।

স্মৃতিবিজড়িত ফেনীতে আবেগঘন পরিবেশ:

প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে গোটা ফেনী জেলায় উৎসবমুখর ও আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নানা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বাবা ইস্কান্দার মজুমদারের পৈতৃক বাড়ি ফেনীর ফুলগাজী উপজেলার শ্রীপুরে। ফুলগাজী, পরশুরাম ও ছাগলনাইয়া—এই তিনটি উপজেলা নিয়ে গঠিত ফেনী-১ আসনটি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক দুর্গ ও স্মৃতিবিজড়িত এলাকা। ১৯৯১ সাল থেকে এই আসন থেকে তিনি রেকর্ড পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। মায়ের সেই স্মৃতিবিজড়িত পুণ্যভূমিতে প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে স্মরণীয় করে রাখতে দুপুরের পর থেকেই ফুলগাজী সরকারি পাইলট হাইস্কুল মাঠের জনসভাস্থলে লাখো মানুষের ঢল নামে। আজকের এই উচ্চপর্যায়ের সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী ও ফেনী-৩ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল আউয়াল মিন্টু, পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল আলম মজনু, ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নাল আবেদীন এবং সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানুসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ। বিকেলে বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির ভাষণ দান শেষে আজ সন্ধ্যায়ই সড়কপথে প্রধানমন্ত্রীর ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

News Update

ঢাকায় ‘ক্যানবেরা ইউনিভার্সিটি’ ক্যাম্পাস চালুর আহ্বান,অস্ট্রেলিয়া থেকে এলএনজি আমদানির প্রস্তাব রাষ্ট্রপতির

ফেনী-পরশুরামে ১,৫৪২ কোটি টাকার মুহুরী-কহুয়া প্রকল্প উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

Update Time : 02:18:00 pm, Thursday, 1 October 2026
সময় পোস্ট:ফেনী অঞ্চলের দীর্ঘদিনের বন্যা সমস্যা স্থায়ীভাবে নিরসন, নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন ও কৃষি খাতে সেচ সুবিধা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ১ হাজার ৫৪২ কোটি ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি মেগা প্রকল্পের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ফেনীর পরশুরাম উপজেলার উপকণ্ঠে খোয়াইঘাট মুহুরী ব্রিজ এলাকায় ফলক উন্মোচন করে ‘মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্প পুনর্বাসন (১ম পর্যায়)’ এর শুভ সূচনা করেন তিনি। ফলক উন্মোচন শেষে প্রধানমন্ত্রী সেখানে উপস্থিত বিপুলসংখ্যক স্থানীয় জনসাধারণের সঙ্গে কুশল ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। পরে প্রকল্প এলাকায় তিনি একটি স্মারক বৃক্ষরোপণ করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ফেনীর পরশুরাম, ফুলগাজী ও ছাগলনাইয়া অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের বন্যা ও জলাবদ্ধতার অভিশাপ দূর হবে। একই সঙ্গে আধুনিক সেচ সুবিধার ফলে স্থানীয় কৃষিক্ষেত্রে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে। পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের গত ১৬ জুন জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এই মেগা প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। ২০৩০ সালের মধ্যে প্রকল্পের কাজ সম্পূর্ণ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রথম পর্যায়ের এই প্রকল্পের আওতায় প্রধান যে কাজগুলো সম্পন্ন করা হবে তার মধ্যে রয়েছে—৬৭ দশমিক ৯২ কিলোমিটার বিদ্যমান বাঁধ পুনর্বাসন, নদী ভাঙন রোধে ১১ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণ, পানি ধারণক্ষমতা বাড়াতে ৮৩ দশমিক ৫০ কিলোমিটার নদী ও জলাধার পুনঃখনন, ২৭টি সেচ অবকাঠামো পুনর্বাসন এবং অববাহিকার পানি নিষ্কাশনে ৭৭টি ইনলেট নির্মাণ। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্রথম পর্যায়ের কাজ শেষ হওয়ার পর দ্বিতীয় পর্যায়ে মুহুরী ও কহুয়া নদীতে নতুন বাঁধ নির্মাণ এবং সিলোনিয়া নদীতেও বাঁধ নির্মাণ, নদী খনন ও ব্যাপক সংস্কার কাজ পরিচালনার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।
এর আগে আজ সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে ঢাকার গুলশানের বাসভবন থেকে সড়কপথে ফেনীর উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দুপুর সোয়া একটার দিকে তাঁর বহর ফেনীতে এসে পৌঁছায়। পরশুরামে মুহুরী-কহুয়া প্রকল্প উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী ফুলগাজীতে যান। সেখানে তিনি প্রথমে বেগম খালেদা জিয়া মহিলা কলেজে চলমান বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী ফুলগাজী জেলা পরিষদ ডাকবাংলো পরিদর্শন করেন এবং সেখানে ছাদভিত্তিক (রুফটপ) সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। সরকারি উদ্যোগে ফুলগাজী, পরশুরাম ও ছাগলনাইয়া উপজেলার সরকারি ভবনগুলোর ছাদে মোট ৯৬২ দশমিক ৫ কিলোওয়াট ক্ষমতার এই সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে ছাগলনাইয়ায় ৪১৫ কিলোওয়াট, পরশুরামে ২৯৮ কিলোওয়াট এবং ফুলগাজীতে ২৪৯ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ সরাসরি জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে, যা স্থানীয় বিদ্যুৎ ঘাটতি পূরণে ভূমিকা রাখবে। বিকেলে ফুলগাজী সরকারি পাইলট হাইস্কুল মাঠে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তিনি সরকারের জনকল্যাণমুখী কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মাঝে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণ করেন। ফুলগাজী উপজেলায় মোট ৫১০ জন ফ্যামিলি কার্ড এবং পুরো জেলাজুড়ে ৭ হাজার ৬৪৩ জন প্রান্তিক চাষী কৃষক কার্ড পান। একই অনুষ্ঠান থেকে প্রধানমন্ত্রী ফুলগাজী উপজেলার ২৩৮ জন মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম এবং পুরোহিতসহ অন্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের হাতে রাষ্ট্রীয় সম্মানী ও অনুদান তুলে দেন।

স্মৃতিবিজড়িত ফেনীতে আবেগঘন পরিবেশ:

প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে গোটা ফেনী জেলায় উৎসবমুখর ও আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নানা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বাবা ইস্কান্দার মজুমদারের পৈতৃক বাড়ি ফেনীর ফুলগাজী উপজেলার শ্রীপুরে। ফুলগাজী, পরশুরাম ও ছাগলনাইয়া—এই তিনটি উপজেলা নিয়ে গঠিত ফেনী-১ আসনটি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক দুর্গ ও স্মৃতিবিজড়িত এলাকা। ১৯৯১ সাল থেকে এই আসন থেকে তিনি রেকর্ড পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। মায়ের সেই স্মৃতিবিজড়িত পুণ্যভূমিতে প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে স্মরণীয় করে রাখতে দুপুরের পর থেকেই ফুলগাজী সরকারি পাইলট হাইস্কুল মাঠের জনসভাস্থলে লাখো মানুষের ঢল নামে। আজকের এই উচ্চপর্যায়ের সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী ও ফেনী-৩ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল আউয়াল মিন্টু, পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল আলম মজনু, ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নাল আবেদীন এবং সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানুসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ। বিকেলে বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির ভাষণ দান শেষে আজ সন্ধ্যায়ই সড়কপথে প্রধানমন্ত্রীর ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে।