Dhaka 2:36 am, Wednesday, 16 September 2026
শিরোনাম:
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ১৭ সেপ্টেম্বর অংশীজনদের সঙ্গে বৈঠক, এরপর তফসিল চূড়ান্ত: ইসি সচিব কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গড়াই সরকারের অঙ্গীকার: আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবসে প্রধানমন্ত্রী সিলেটে শাহজালাল-শাহপরানের মাজার জিয়ারত করলেন রাষ্ট্রপতি ইউপি ভোট দিয়ে শুরু, পর্যায়ক্রমে হবে স্থানীয় সরকারের অন্য নির্বাচন শিক্ষা, মানবসম্পদ উন্নয়ন, বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি খাতে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান রাষ্ট্রপতির কৃষিপণ্যের আমদানি কমিয়ে উৎপাদন বাড়ানোর তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর ফেনী সফরে প্রধানমন্ত্রীর নতুন সূচি ঘোষণা বাংলাদেশ-পাকিস্তান বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে গুরুত্ব দিলেন রাষ্ট্রপতি নতুন গ্যাসের সন্ধানে শেভরনের বিনিয়োগ চান প্রধানমন্ত্রী পঞ্চগড়-কক্সবাজার রেলপথে যুক্ত হবে দেশের দুই প্রান্ত, ব্যয় ৬০ হাজার কোটি

কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গড়াই সরকারের অঙ্গীকার: আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবসে প্রধানমন্ত্রী

সময় পোস্ট: জনগণের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে তাদের স্বার্থ রক্ষা এবং একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র ও সমাজ প্রতিষ্ঠাকে সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, এই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে ‘সবার আগে বাংলাদেশ—সবার জন্য বাংলাদেশ’ এই প্রত্যয়ে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দিবসটি পালিত হচ্ছে। এবারের আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবসের মূল প্রতিপাদ্য—‘রেইজিং হ্যান্ডস অ্যান্ড ভয়েসেস—ফস্টারিং এজেন্সি অ্যান্ড ওনারশিপ থ্রু ডেলিবারেটিভ ডেমোক্র্যাসি’। দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব গণতন্ত্রকামী জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে তিনি তাঁদের গণতান্ত্রিক ও মানবিক অধিকারের প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করেন।

গণতন্ত্র শুধু ভোটের অধিকারে সীমাবদ্ধ নয়:

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গণতন্ত্রের মূল দর্শনের সঙ্গে রাষ্ট্র ও সমাজে মানুষের বাক্ ও ব্যক্তিস্বাধীনতা, সাম্য, মানবিক মর্যাদা এবং সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠার বিষয়টি জড়িত। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক অধিকারের অর্থ শুধু ভোটাধিকার প্রয়োগের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। গণতন্ত্রকে টেকসই ও প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত রাখতে জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করাও জরুরি। প্রধানমন্ত্রীর মতে, জনগণের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে তাদের মতামত ও স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা করা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক।

জনগণের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার কথা:

বাণীতে তারেক রহমান বলেন, সরকার দেশের জনগণের ধর্মীয়, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর। তিনি বলেন, দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও প্রাতিষ্ঠানিক করতে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের মাধ্যমে নাগরিকদের রাষ্ট্র ও সমাজের বিভিন্ন পর্যায়ে কার্যকর ভূমিকা রাখার সুযোগ তৈরি করতে হবে।

‘বহুদলীয় গণতন্ত্র চালু করেছিলেন জিয়াউর রহমান’

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের প্রসঙ্গ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পর বিভিন্ন সময়ে দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করা হয়েছে এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা বাধাগ্রস্ত হয়েছে। বাণীতে তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র চালু করেছিলেন এবং মানুষের বাক্, ব্যক্তি ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। তারেক রহমানের বক্তব্য অনুযায়ী, পরবর্তী সময়ে জনগণের গণতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক অধিকার কেড়ে নিয়ে দেশে আবারও ফ্যাসিবাদী শাসন-শোষণ কায়েম করা হয়েছিল।

গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ:

দীর্ঘ সময় ধরে চলা আন্দোলন-সংগ্রামের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে আন্দোলন-সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় ছাত্র-জনতা একটি রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশে ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটিয়েছে। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য দেশের মানুষ বিভিন্ন সময়ে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছে। এসব আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় জনগণের রাজনৈতিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বিএনপির ভূমিকার কথা উল্লেখ:

বাণীতে বিএনপির রাজনৈতিক অবস্থানের কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, বিএনপি সরকারে থাকা কিংবা বিরোধী দলে থাকা—উভয় অবস্থান থেকেই বারবার গণতন্ত্রের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। তিনি আরও বলেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে জনগণ একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে জনগণের ভোটাধিকার ও নির্বাচনী প্রক্রিয়ার গুরুত্বের বিষয়টি তুলে ধরা হয়।

‘সবার আগে বাংলাদেশ—সবার জন্য বাংলাদেশ’

সরকারের ভবিষ্যৎ লক্ষ্য তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র ও সমাজ প্রতিষ্ঠাই সরকারের বর্তমান অঙ্গীকার। তিনি বলেন, ‘আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই, যেখানে নিশ্চিত হবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সমৃদ্ধি ও স্বনির্ভরতা, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও উদার রাজনৈতিক পরিবেশ এবং সামাজিক স্থিতি ও ন্যায়পরায়ণতা।’ তারেক রহমান বলেন, ‘সবার আগে বাংলাদেশ—সবার জন্য বাংলাদেশ’ এই প্রত্যয়কে সামনে রেখে সরকার জনগণের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে।

গণতান্ত্রিক অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা:

আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে দেওয়া বাণীর শেষাংশে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, মানবিক অধিকার, সামাজিক সুবিচার এবং মানুষের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো আরও শক্তিশালী ও কার্যকর হওয়ার মাধ্যমে জনগণের অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত হবে এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, উদার ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার পথ আরও সুগম হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

News Update

জনপ্রিয় সংবাদ

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ১৭ সেপ্টেম্বর অংশীজনদের সঙ্গে বৈঠক, এরপর তফসিল চূড়ান্ত: ইসি সচিব

কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গড়াই সরকারের অঙ্গীকার: আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবসে প্রধানমন্ত্রী

Update Time : 01:40:09 pm, Tuesday, 15 September 2026

সময় পোস্ট: জনগণের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে তাদের স্বার্থ রক্ষা এবং একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র ও সমাজ প্রতিষ্ঠাকে সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, এই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে ‘সবার আগে বাংলাদেশ—সবার জন্য বাংলাদেশ’ এই প্রত্যয়ে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দিবসটি পালিত হচ্ছে। এবারের আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবসের মূল প্রতিপাদ্য—‘রেইজিং হ্যান্ডস অ্যান্ড ভয়েসেস—ফস্টারিং এজেন্সি অ্যান্ড ওনারশিপ থ্রু ডেলিবারেটিভ ডেমোক্র্যাসি’। দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব গণতন্ত্রকামী জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে তিনি তাঁদের গণতান্ত্রিক ও মানবিক অধিকারের প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করেন।

গণতন্ত্র শুধু ভোটের অধিকারে সীমাবদ্ধ নয়:

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গণতন্ত্রের মূল দর্শনের সঙ্গে রাষ্ট্র ও সমাজে মানুষের বাক্ ও ব্যক্তিস্বাধীনতা, সাম্য, মানবিক মর্যাদা এবং সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠার বিষয়টি জড়িত। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক অধিকারের অর্থ শুধু ভোটাধিকার প্রয়োগের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। গণতন্ত্রকে টেকসই ও প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত রাখতে জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করাও জরুরি। প্রধানমন্ত্রীর মতে, জনগণের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে তাদের মতামত ও স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা করা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক।

জনগণের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার কথা:

বাণীতে তারেক রহমান বলেন, সরকার দেশের জনগণের ধর্মীয়, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর। তিনি বলেন, দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও প্রাতিষ্ঠানিক করতে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের মাধ্যমে নাগরিকদের রাষ্ট্র ও সমাজের বিভিন্ন পর্যায়ে কার্যকর ভূমিকা রাখার সুযোগ তৈরি করতে হবে।

‘বহুদলীয় গণতন্ত্র চালু করেছিলেন জিয়াউর রহমান’

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের প্রসঙ্গ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পর বিভিন্ন সময়ে দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করা হয়েছে এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা বাধাগ্রস্ত হয়েছে। বাণীতে তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র চালু করেছিলেন এবং মানুষের বাক্, ব্যক্তি ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। তারেক রহমানের বক্তব্য অনুযায়ী, পরবর্তী সময়ে জনগণের গণতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক অধিকার কেড়ে নিয়ে দেশে আবারও ফ্যাসিবাদী শাসন-শোষণ কায়েম করা হয়েছিল।

গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ:

দীর্ঘ সময় ধরে চলা আন্দোলন-সংগ্রামের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে আন্দোলন-সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় ছাত্র-জনতা একটি রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশে ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটিয়েছে। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য দেশের মানুষ বিভিন্ন সময়ে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছে। এসব আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় জনগণের রাজনৈতিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বিএনপির ভূমিকার কথা উল্লেখ:

বাণীতে বিএনপির রাজনৈতিক অবস্থানের কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, বিএনপি সরকারে থাকা কিংবা বিরোধী দলে থাকা—উভয় অবস্থান থেকেই বারবার গণতন্ত্রের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। তিনি আরও বলেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে জনগণ একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে জনগণের ভোটাধিকার ও নির্বাচনী প্রক্রিয়ার গুরুত্বের বিষয়টি তুলে ধরা হয়।

‘সবার আগে বাংলাদেশ—সবার জন্য বাংলাদেশ’

সরকারের ভবিষ্যৎ লক্ষ্য তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র ও সমাজ প্রতিষ্ঠাই সরকারের বর্তমান অঙ্গীকার। তিনি বলেন, ‘আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই, যেখানে নিশ্চিত হবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সমৃদ্ধি ও স্বনির্ভরতা, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও উদার রাজনৈতিক পরিবেশ এবং সামাজিক স্থিতি ও ন্যায়পরায়ণতা।’ তারেক রহমান বলেন, ‘সবার আগে বাংলাদেশ—সবার জন্য বাংলাদেশ’ এই প্রত্যয়কে সামনে রেখে সরকার জনগণের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে।

গণতান্ত্রিক অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা:

আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে দেওয়া বাণীর শেষাংশে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, মানবিক অধিকার, সামাজিক সুবিচার এবং মানুষের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো আরও শক্তিশালী ও কার্যকর হওয়ার মাধ্যমে জনগণের অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত হবে এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, উদার ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার পথ আরও সুগম হবে।