Dhaka 5:56 am, Tuesday, 13 October 2026
শিরোনাম:
নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা রোধে জিরো টলারেন্স নীতি কঠোরভাবে বাস্তবায়নের আহ্বান রাষ্ট্রপতির আইএমএফের ঋণ ও সংস্কার শর্ত নিয়ে আলোচনা চলছে: অর্থমন্ত্রী ধর্ম নয়, নাগরিক হিসেবে সবার অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে ছুটি, নতুন পরিপত্র জারি বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে মারুবেনি করপোরেশনের আগ্রহ, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক সেবার মান বাড়ানো গেলে চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়ার প্রবণতা কমবে : রাষ্ট্রপতি ২০২৮ সালের মধ্যে অন্তত একটি উড়োজাহাজ সরবরাহের আহ্বান বিমানমন্ত্রীর পানির ন্যায্য হিস্যা নিয়ে ভারতের সঙ্গে কোনো ছাড় নয়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার অধিকার নিশ্চিত করা হবে: প্রধানমন্ত্রী শিশুদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে ছুটি, নতুন পরিপত্র জারি

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস উদযাপন ও পালনের বিষয়ে নতুন পরিপত্র জারি করেছে সরকার। এতে ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ পালন এবং এ উপলক্ষে ছুটি ঘোষণার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। রোববার (১১ অক্টোবর) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ পরিপত্র জারি করা হয়। এর মধ্য দিয়ে গত ১১ মার্চ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস উদযাপন বা পালনসংক্রান্ত জারি করা আগের পরিপত্রটি বাতিল করা হয়েছে। নতুন পরিপত্রে জাতীয় পর্যায়ের উৎসব ছাড়া সাধারণভাবে দিবস পালন ও বিভিন্ন কর্মসূচি আয়োজনের ক্ষেত্রে বেশ কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এতে সরকারি ব্যয় সাশ্রয়, দাপ্তরিক কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখা এবং সীমিত পরিসরে দিবস পালনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। পরিপত্রে বলা হয়েছে, দিবস পালনের ক্ষেত্রে সাজসজ্জা ও বড় ধরনের বিচিত্রানুষ্ঠান যথাসম্ভব পরিহার করতে হবে। রেডিও ও টেলিভিশনে আলোচনা অনুষ্ঠান এবং সীমিত পরিসরে সেমিনার বা সিম্পোজিয়াম আয়োজন করা যাবে। তবে কর্মদিবসে সমাবেশ ও শোভাযাত্রা আয়োজন থেকে বিরত থাকতে হবে। কোনো সপ্তাহ পালনের ক্ষেত্রে সাধারণভাবে অনুষ্ঠানসূচি তিন দিনের মধ্যে সীমিত রাখতে হবে। সরকারি কর্মসূচির কারণে যেন অফিসের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। এ ছাড়া আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ছুটির দিনে অথবা অফিস সময়ের পরে আয়োজনের চেষ্টা করতে বলা হয়েছে। পরিপত্রে আরও বলা হয়েছে, নগদ অর্থ বা উপকরণ ব্যয়ের প্রয়োজন হবে না—এমন সাধারণ অনুষ্ঠান ছুটির দিন কিংবা কর্মদিবসে আয়োজন করা যাবে। কোনো দিবস বা সপ্তাহ পালন উপলক্ষে রাজধানীর বাইরে থেকে কিংবা জেলা পর্যায় থেকে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ঢাকায় আনা যথাসম্ভব পরিহার করতে হবে।

সরকারি ব্যয় সাশ্রয়ের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোকে একই ধরনের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস পালনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক দিবসকে প্রাধান্য দিতে বলা হয়েছে। এ ধরনের দিবসগুলো একই তারিখে একত্রে পালন করতে হবে। প্রয়োজনে এ বিষয়ে সারসংক্ষেপ মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপনের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠাতে হবে। নতুন পরিপত্রে উল্লেখিত সিদ্ধান্তগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাকে অনুরোধ জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

News Update

জনপ্রিয় সংবাদ

নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা রোধে জিরো টলারেন্স নীতি কঠোরভাবে বাস্তবায়নের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে ছুটি, নতুন পরিপত্র জারি

Update Time : 11:50:03 am, Sunday, 11 October 2026
জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস উদযাপন ও পালনের বিষয়ে নতুন পরিপত্র জারি করেছে সরকার। এতে ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ পালন এবং এ উপলক্ষে ছুটি ঘোষণার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। রোববার (১১ অক্টোবর) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ পরিপত্র জারি করা হয়। এর মধ্য দিয়ে গত ১১ মার্চ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস উদযাপন বা পালনসংক্রান্ত জারি করা আগের পরিপত্রটি বাতিল করা হয়েছে। নতুন পরিপত্রে জাতীয় পর্যায়ের উৎসব ছাড়া সাধারণভাবে দিবস পালন ও বিভিন্ন কর্মসূচি আয়োজনের ক্ষেত্রে বেশ কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এতে সরকারি ব্যয় সাশ্রয়, দাপ্তরিক কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখা এবং সীমিত পরিসরে দিবস পালনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। পরিপত্রে বলা হয়েছে, দিবস পালনের ক্ষেত্রে সাজসজ্জা ও বড় ধরনের বিচিত্রানুষ্ঠান যথাসম্ভব পরিহার করতে হবে। রেডিও ও টেলিভিশনে আলোচনা অনুষ্ঠান এবং সীমিত পরিসরে সেমিনার বা সিম্পোজিয়াম আয়োজন করা যাবে। তবে কর্মদিবসে সমাবেশ ও শোভাযাত্রা আয়োজন থেকে বিরত থাকতে হবে। কোনো সপ্তাহ পালনের ক্ষেত্রে সাধারণভাবে অনুষ্ঠানসূচি তিন দিনের মধ্যে সীমিত রাখতে হবে। সরকারি কর্মসূচির কারণে যেন অফিসের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। এ ছাড়া আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ছুটির দিনে অথবা অফিস সময়ের পরে আয়োজনের চেষ্টা করতে বলা হয়েছে। পরিপত্রে আরও বলা হয়েছে, নগদ অর্থ বা উপকরণ ব্যয়ের প্রয়োজন হবে না—এমন সাধারণ অনুষ্ঠান ছুটির দিন কিংবা কর্মদিবসে আয়োজন করা যাবে। কোনো দিবস বা সপ্তাহ পালন উপলক্ষে রাজধানীর বাইরে থেকে কিংবা জেলা পর্যায় থেকে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ঢাকায় আনা যথাসম্ভব পরিহার করতে হবে।

সরকারি ব্যয় সাশ্রয়ের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোকে একই ধরনের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস পালনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক দিবসকে প্রাধান্য দিতে বলা হয়েছে। এ ধরনের দিবসগুলো একই তারিখে একত্রে পালন করতে হবে। প্রয়োজনে এ বিষয়ে সারসংক্ষেপ মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপনের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠাতে হবে। নতুন পরিপত্রে উল্লেখিত সিদ্ধান্তগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাকে অনুরোধ জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।