Dhaka 4:54 am, Thursday, 1 October 2026
শিরোনাম:
প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সফরে বাংলাদেশের স্বার্থ ও বৈশ্বিক সম্ভাবনার বিষয় গুরুত্ব পেয়েছে: মাহদী আমিন বিনিয়োগ, রোহিঙ্গা ও তিস্তা প্রকল্পে চীনের সহযোগিতা চাইলেন রাষ্ট্রপতি যৌক্তিক কারণ ছাড়া প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো যাবে না: প্রধানমন্ত্রী ভঙ্গুর অর্থনীতি থেকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার পথে বাংলাদেশ: ড. তিতুমীর জাতিসংঘ সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী চীনের শিক্ষা ও প্রযুক্তি অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চান শিক্ষামন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৮ জনের মৃত্যু আদালতের স্থগিতাদেশের পরও ভারতীয় নাগরিকের নামে জমি নামজারির অভিযোগ, ডেমরার এসিল্যান্ড রাকিবুলের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি জনস্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্যব্যবস্থার আধুনিকায়ন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গেটস সিইওর বৈঠক নিরাপদ ও টেকসই ভবিষ্যৎ গড়তে বিশ্বনেতাদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

যৌক্তিক কারণ ছাড়া প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো যাবে না: প্রধানমন্ত্রী

সময় পোস্ট:উন্নয়ন প্রকল্পের প্রস্তাবনায় (ডিপিপি) পরামর্শক খাতে ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো এবং যৌক্তিক কারণ ছাড়া প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানোর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহির আওতায় আনার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই আরও গভীর ও কারিগরিভাবে নির্ভুল করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। এতে প্রকল্প বাস্তবায়নের পর নকশা পরিবর্তন, ব্যয় বৃদ্ধি ও বিভিন্ন ধরনের জটিলতা কমানো সম্ভব হবে বলে মনে করছে সরকার। বুধবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা অনুষ্ঠিত হয়। একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সভা শেষে রাজধানীর এনইসি সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি। পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, উন্নয়ন প্রকল্পের ডিপিপিতে অন্তর্ভুক্ত পরামর্শক ব্যয় পর্যালোচনা করে তা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তা ও বাস্তবতা বিবেচনা করে পরামর্শক নিয়োগ ও এ খাতে ব্যয়ের যৌক্তিকতা নিশ্চিত করতে হবে। অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমিয়ে প্রকল্পের অর্থের সর্বোচ্চ কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

প্রকল্প বাস্তবায়নে অযথা সময়ক্ষেপণ বন্ধের বিষয়েও কঠোর অবস্থান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, যৌক্তিক কারণ ছাড়া কোনো প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো যাবে না। প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন করা হলে বাস্তবায়নকারী সংস্থাকে সুনির্দিষ্ট কারণ ব্যাখ্যা করতে হবে। এসব কারণ যথাযথভাবে যাচাই করার পরই মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। যৌক্তিক কারণ ছাড়া প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হলে বিলম্বের জন্য দায়ী কর্মকর্তা ও বাস্তবায়নকারী সংস্থাকে জবাবদিহির আওতায় আনা হবে বলেও জানান তিনি। তিনি বলেন, অনুমোদিত সময়সীমা ও নির্ধারিত বাজেটের মধ্যে চলমান ও নতুন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন নিশ্চিত করাকে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। উন্নয়ন প্রকল্প নেওয়ার আগে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের বিদ্যমান প্রক্রিয়াকে আরও কার্যকর করার ওপরও জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। জোনায়েদ সাকি বলেন, শুধু প্রশাসনিক আনুষ্ঠানিকতা হিসেবে সম্ভাব্যতা যাচাই করার প্রচলিত সংস্কৃতি নিয়ে নতুন করে ভাবতে হবে। সম্ভাব্যতা যাচাই পর্যাপ্ত গভীরতা ও কারিগরি নির্ভুলতার সঙ্গে করতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা তুলে ধরে তিনি বলেন, সম্ভাব্যতা যাচাই সঠিকভাবে করা হলে পরবর্তী সময়ে প্রকল্পের নকশা পরিবর্তন, ব্যয় বৃদ্ধি এবং বাস্তবায়ন জটিলতা এড়ানো সম্ভব হবে। যশোর, সৈয়দপুর ও শাহ মখদুম বিমানবন্দর উন্নয়ন প্রকল্পে প্রক্রিয়াগত অনিয়মের অভিযোগের বিষয়েও তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০২৩ সালে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি (সিসিজিপি) যে বাজেট সমন্বয় করেছিল, তা যথাসময়ে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবে (ডিপিপি) প্রতিফলিত হয়নি। এ বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি) ইতোমধ্যে আটটি প্রকল্পের তদন্ত প্রতিবেদন প্রধানমন্ত্রীর কাছে জমা দিয়েছে। আরও চারটি প্রকল্পের তদন্ত প্রতিবেদন শিগগিরই জমা দেওয়া হবে।প্রতিবেদনগুলো পরবর্তী প্রয়োজনীয় সংশোধনমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগে পাঠানো হচ্ছে বলেও জানান তিনি। আঞ্চলিক বৈষম্য কমাতে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, রংপুর বিভাগের গ্রামীণ এলাকায় সড়ক, কালভার্ট ও সেতু নির্মাণে ১ হাজার ৬০০ কোটি টাকার একটি গ্রামীণ অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। গ্রামীণ যোগাযোগব্যবস্থা উন্নত করা এবং আঞ্চলিক অর্থনৈতিক বৈষম্য কমানো এ প্রকল্পের অন্যতম লক্ষ্য বলে জানান তিনি। ডিজিটাল শাসন ও আর্থিক তদারকি জোরদার করতেও সরকার কাজ করছে বলে জানান পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, উচ্চপর্যায়ের একটি কমিটির অধীনে আটটি গুরুত্বপূর্ণ অটোমেশন উদ্যোগকে সমন্বিত করার কাজ চলছে। এর মধ্যে রয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (সিএজি), সমন্বিত বাজেট ও হিসাবরক্ষণ ব্যবস্থা (আইবাস++), বাংলাদেশ ব্যাংক এবং ‘ওয়ান সিটিজেন, ওয়ান নম্বর, ওয়ান ওয়ালেট’–সংক্রান্ত অটোমেশন ব্যবস্থা। এসব ডিজিটাল ব্যবস্থার মধ্যে আন্তঃকার্যক্ষমতা নিশ্চিত করা গেলে সরকারি সেবায় মানুষের সরাসরি হস্তক্ষেপ কমানোর পাশাপাশি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধা বিতরণে স্বচ্ছতা বাড়ানো সম্ভব হবে বলে জানান তিনি। একই সঙ্গে ব্যাংকিং খাতের ডিজিটাল তদারকি জোরদার এবং খেলাপি ঋণ (এনপিএল) ও আর্থিক অনিয়ম প্রতিরোধেও এসব উদ্যোগ সহায়ক হবে বলে উল্লেখ করেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

News Update

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সফরে বাংলাদেশের স্বার্থ ও বৈশ্বিক সম্ভাবনার বিষয় গুরুত্ব পেয়েছে: মাহদী আমিন

যৌক্তিক কারণ ছাড়া প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো যাবে না: প্রধানমন্ত্রী

Update Time : 02:34:31 pm, Wednesday, 30 September 2026

সময় পোস্ট:উন্নয়ন প্রকল্পের প্রস্তাবনায় (ডিপিপি) পরামর্শক খাতে ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো এবং যৌক্তিক কারণ ছাড়া প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানোর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহির আওতায় আনার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই আরও গভীর ও কারিগরিভাবে নির্ভুল করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। এতে প্রকল্প বাস্তবায়নের পর নকশা পরিবর্তন, ব্যয় বৃদ্ধি ও বিভিন্ন ধরনের জটিলতা কমানো সম্ভব হবে বলে মনে করছে সরকার। বুধবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা অনুষ্ঠিত হয়। একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সভা শেষে রাজধানীর এনইসি সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি। পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, উন্নয়ন প্রকল্পের ডিপিপিতে অন্তর্ভুক্ত পরামর্শক ব্যয় পর্যালোচনা করে তা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তা ও বাস্তবতা বিবেচনা করে পরামর্শক নিয়োগ ও এ খাতে ব্যয়ের যৌক্তিকতা নিশ্চিত করতে হবে। অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমিয়ে প্রকল্পের অর্থের সর্বোচ্চ কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

প্রকল্প বাস্তবায়নে অযথা সময়ক্ষেপণ বন্ধের বিষয়েও কঠোর অবস্থান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, যৌক্তিক কারণ ছাড়া কোনো প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো যাবে না। প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন করা হলে বাস্তবায়নকারী সংস্থাকে সুনির্দিষ্ট কারণ ব্যাখ্যা করতে হবে। এসব কারণ যথাযথভাবে যাচাই করার পরই মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। যৌক্তিক কারণ ছাড়া প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হলে বিলম্বের জন্য দায়ী কর্মকর্তা ও বাস্তবায়নকারী সংস্থাকে জবাবদিহির আওতায় আনা হবে বলেও জানান তিনি। তিনি বলেন, অনুমোদিত সময়সীমা ও নির্ধারিত বাজেটের মধ্যে চলমান ও নতুন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন নিশ্চিত করাকে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। উন্নয়ন প্রকল্প নেওয়ার আগে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের বিদ্যমান প্রক্রিয়াকে আরও কার্যকর করার ওপরও জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। জোনায়েদ সাকি বলেন, শুধু প্রশাসনিক আনুষ্ঠানিকতা হিসেবে সম্ভাব্যতা যাচাই করার প্রচলিত সংস্কৃতি নিয়ে নতুন করে ভাবতে হবে। সম্ভাব্যতা যাচাই পর্যাপ্ত গভীরতা ও কারিগরি নির্ভুলতার সঙ্গে করতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা তুলে ধরে তিনি বলেন, সম্ভাব্যতা যাচাই সঠিকভাবে করা হলে পরবর্তী সময়ে প্রকল্পের নকশা পরিবর্তন, ব্যয় বৃদ্ধি এবং বাস্তবায়ন জটিলতা এড়ানো সম্ভব হবে। যশোর, সৈয়দপুর ও শাহ মখদুম বিমানবন্দর উন্নয়ন প্রকল্পে প্রক্রিয়াগত অনিয়মের অভিযোগের বিষয়েও তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০২৩ সালে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি (সিসিজিপি) যে বাজেট সমন্বয় করেছিল, তা যথাসময়ে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবে (ডিপিপি) প্রতিফলিত হয়নি। এ বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি) ইতোমধ্যে আটটি প্রকল্পের তদন্ত প্রতিবেদন প্রধানমন্ত্রীর কাছে জমা দিয়েছে। আরও চারটি প্রকল্পের তদন্ত প্রতিবেদন শিগগিরই জমা দেওয়া হবে।প্রতিবেদনগুলো পরবর্তী প্রয়োজনীয় সংশোধনমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগে পাঠানো হচ্ছে বলেও জানান তিনি। আঞ্চলিক বৈষম্য কমাতে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, রংপুর বিভাগের গ্রামীণ এলাকায় সড়ক, কালভার্ট ও সেতু নির্মাণে ১ হাজার ৬০০ কোটি টাকার একটি গ্রামীণ অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। গ্রামীণ যোগাযোগব্যবস্থা উন্নত করা এবং আঞ্চলিক অর্থনৈতিক বৈষম্য কমানো এ প্রকল্পের অন্যতম লক্ষ্য বলে জানান তিনি। ডিজিটাল শাসন ও আর্থিক তদারকি জোরদার করতেও সরকার কাজ করছে বলে জানান পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, উচ্চপর্যায়ের একটি কমিটির অধীনে আটটি গুরুত্বপূর্ণ অটোমেশন উদ্যোগকে সমন্বিত করার কাজ চলছে। এর মধ্যে রয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (সিএজি), সমন্বিত বাজেট ও হিসাবরক্ষণ ব্যবস্থা (আইবাস++), বাংলাদেশ ব্যাংক এবং ‘ওয়ান সিটিজেন, ওয়ান নম্বর, ওয়ান ওয়ালেট’–সংক্রান্ত অটোমেশন ব্যবস্থা। এসব ডিজিটাল ব্যবস্থার মধ্যে আন্তঃকার্যক্ষমতা নিশ্চিত করা গেলে সরকারি সেবায় মানুষের সরাসরি হস্তক্ষেপ কমানোর পাশাপাশি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধা বিতরণে স্বচ্ছতা বাড়ানো সম্ভব হবে বলে জানান তিনি। একই সঙ্গে ব্যাংকিং খাতের ডিজিটাল তদারকি জোরদার এবং খেলাপি ঋণ (এনপিএল) ও আর্থিক অনিয়ম প্রতিরোধেও এসব উদ্যোগ সহায়ক হবে বলে উল্লেখ করেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী।