Dhaka 4:36 am, Thursday, 15 October 2026
শিরোনাম:
সাবেক সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির শোক অপরাধ দমনে কঠোর সরকার, ক্লিন হার্টের মতো অভিযান নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ভঙ্গুর অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে সরকারের কৌশলে বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের আস্থা: ড. তিতুমীর জবাবদিহিতা ও সুশাসনে ছায়া মন্ত্রিসভা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে: ডেপুটি স্পিকার নিউইয়র্কে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে হেনস্তা, আওয়ামী লীগের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: তথ্য উপদেষ্টা বাংলাদেশ-ইউএই যৌথ উদ্যোগে কক্সবাজারে সুপেয় পানি প্রকল্পের প্রস্তাব স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সব প্রার্থীর সমান অধিকার নিশ্চিত করা হবে: প্রতিমন্ত্রী দুর্যোগ মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি ও পরিকল্পিত নগরায়ণের তাগিদ রাষ্ট্রপতির নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা রোধে জিরো টলারেন্স নীতি কঠোরভাবে বাস্তবায়নের আহ্বান রাষ্ট্রপতির আইএমএফের ঋণ ও সংস্কার শর্ত নিয়ে আলোচনা চলছে: অর্থমন্ত্রী

অপরাধ দমনে কঠোর সরকার, ক্লিন হার্টের মতো অভিযান নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অপরাধ দমনে ‘অপারেশন ক্লিন হার্টের’ মতো কোনো অভিযান পরিচালনার পরিকল্পনা সরকারের নেই বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, অপরাধীদের গ্রেপ্তার ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাবে। গ্রেপ্তার অভিযানে বাধা দেওয়া কিংবা আসামিকে আশ্রয়-সহায়তা করার বিষয়ে তথ্য পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) চট্টগ্রাম পুলিশ লাইন্সে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) সাইবার কার্যালয় ও ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। অপরাধীদের গ্রেপ্তারে বাধা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অপরাধ দমনে সরকার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাবে। পুলিশ আসামি গ্রেপ্তার করতে গেলে কেউ সহযোগিতা করলে বা বাধা দিলে, সে বিষয়ে তথ্য পাওয়া সাপেক্ষে যথাযথ আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তিনি বলেন, ‘আমরা অপরাধীদের দমনের জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা নেব। আর পুলিশ গ্রেপ্তার করতে গেলে কেউ যদি আসামিকে সহায়তা দিয়ে থাকে, সে ক্ষেত্রে আমরা যথাযথ আইনি পদক্ষেপ নেব, যদি আপনারা তথ্য দেন। আমরা আমাদের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আমাদের অপারেশন ক্লিন হার্ট করার মতো কোনো পরিকল্পনা নেই।’

সাইবার অপরাধের ধরন দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমান বিশ্বে ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে নানা ধরনের অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে। সাইবার স্পেসের মাধ্যমে প্রতারণা বা স্ক্যামের পাশাপাশি শেয়ারবাজারে কারসাজির মতো অপরাধও ঘটছে। এসব অপরাধ শনাক্ত, প্রতিরোধ ও দমনে ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাবের বিকল্প নেই। তিনি জানান, সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশের সাইবার ইউনিটের কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে। গত ১ অক্টোবর থেকে একজন অতিরিক্ত আইজিপির নেতৃত্বে আনুষ্ঠানিকভাবে পুলিশ সাইবার ইউনিটের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। কেন্দ্রীয় পর্যায়ের পাশাপাশি বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও ডিজিটাল অপরাধ বিশ্লেষণের সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানান মন্ত্রী। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রামে সিআইডির সাইবার কার্যালয় ও ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব প্রতিষ্ঠায় দক্ষিণ কোরিয়া সরকার এবং কোরিয়ান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (কয়কা) সহযোগিতা করেছে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, দ্রুত দেশের আটটি বিভাগীয় সদর দপ্তরে ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব স্থাপন করা হবে। তিনি বলেন, চট্টগ্রামে উদ্বোধন করা ল্যাবটি সিআইডির নেতৃত্বে পরিচালিত হবে। তবে ডিজিটাল ফরেনসিক বিশ্লেষণ ও পরীক্ষার ক্ষেত্রে বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে সমন্বয় ও সহযোগিতা থাকবে। জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে ডিজিটাল ফরেনসিক সুবিধা সম্প্রসারণের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, পুলিশ সাইবার ইউনিটের নেতৃত্বে কেন্দ্র থেকে উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত ডিজিটাল বিশ্লেষণের সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে। আধুনিক অপরাধ তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়ায় ডিজিটাল ফরেনসিক বিশ্লেষণের গুরুত্ব তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মানুষের বিচারপ্রাপ্তি ত্বরান্বিত করতে বিভিন্ন ধরনের বিশ্লেষণ প্রয়োজন হয়। এসব ক্ষেত্রে সাক্ষ্য-প্রমাণ সংগ্রহের পাশাপাশি সেগুলোর যথাযথ সার্টিফিকেশনও গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, সময়ের সঙ্গে অপরাধের ধরন পরিবর্তিত হয়েছে। আধুনিক ডিজিটাল জগতে সংঘটিত অপরাধ প্রতিরোধ ও দমনে সরকার প্রয়োজনীয় আধুনিক ল্যাবরেটরি, প্রযুক্তি ও অন্যান্য সরঞ্জাম নিয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে।

অপরাধ দমন করতে গিয়ে পুলিশ সদস্যদের মাঝেমধ্যে হামলার শিকার হওয়ার বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ ধরনের ঘটনা নতুন নয়। তবে অপরাধীদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। আসামি গ্রেপ্তারে বাধা দেওয়া কিংবা অপরাধীদের আশ্রয় ও সহায়তা করার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অপারেশন ক্লিন হার্ট ছিল অপরাধ দমনের লক্ষ্যে পরিচালিত একটি যৌথ অভিযান। ২০০২ সালের ১৬ অক্টোবর শুরু হয়ে ২০০৩ সালের ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত চলা এ অভিযানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, তৎকালীন বাংলাদেশ রাইফেলস (বিডিআর), পুলিশ ও আনসার সদস্যরা অংশ নেন। প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, অভিযানে ৫০ হাজারের বেশি নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য অংশ নিয়েছিলেন এবং যৌথ বাহিনী ১১ হাজার ২৪৫ জন সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করেছিল। এবারের বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন, অপরাধ দমনে সরকার নিয়মিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যক্রম জোরদার করতে চায়; তবে অপারেশন ক্লিন হার্টের মতো অভিযান পরিচালনার কোনো পরিকল্পনা নেই।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

News Update

জনপ্রিয় সংবাদ

সাবেক সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির শোক

অপরাধ দমনে কঠোর সরকার, ক্লিন হার্টের মতো অভিযান নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

Update Time : 12:36:31 pm, Wednesday, 14 October 2026

অপরাধ দমনে ‘অপারেশন ক্লিন হার্টের’ মতো কোনো অভিযান পরিচালনার পরিকল্পনা সরকারের নেই বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, অপরাধীদের গ্রেপ্তার ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাবে। গ্রেপ্তার অভিযানে বাধা দেওয়া কিংবা আসামিকে আশ্রয়-সহায়তা করার বিষয়ে তথ্য পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) চট্টগ্রাম পুলিশ লাইন্সে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) সাইবার কার্যালয় ও ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। অপরাধীদের গ্রেপ্তারে বাধা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অপরাধ দমনে সরকার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাবে। পুলিশ আসামি গ্রেপ্তার করতে গেলে কেউ সহযোগিতা করলে বা বাধা দিলে, সে বিষয়ে তথ্য পাওয়া সাপেক্ষে যথাযথ আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তিনি বলেন, ‘আমরা অপরাধীদের দমনের জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা নেব। আর পুলিশ গ্রেপ্তার করতে গেলে কেউ যদি আসামিকে সহায়তা দিয়ে থাকে, সে ক্ষেত্রে আমরা যথাযথ আইনি পদক্ষেপ নেব, যদি আপনারা তথ্য দেন। আমরা আমাদের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আমাদের অপারেশন ক্লিন হার্ট করার মতো কোনো পরিকল্পনা নেই।’

সাইবার অপরাধের ধরন দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমান বিশ্বে ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে নানা ধরনের অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে। সাইবার স্পেসের মাধ্যমে প্রতারণা বা স্ক্যামের পাশাপাশি শেয়ারবাজারে কারসাজির মতো অপরাধও ঘটছে। এসব অপরাধ শনাক্ত, প্রতিরোধ ও দমনে ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাবের বিকল্প নেই। তিনি জানান, সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশের সাইবার ইউনিটের কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে। গত ১ অক্টোবর থেকে একজন অতিরিক্ত আইজিপির নেতৃত্বে আনুষ্ঠানিকভাবে পুলিশ সাইবার ইউনিটের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। কেন্দ্রীয় পর্যায়ের পাশাপাশি বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও ডিজিটাল অপরাধ বিশ্লেষণের সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানান মন্ত্রী। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রামে সিআইডির সাইবার কার্যালয় ও ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব প্রতিষ্ঠায় দক্ষিণ কোরিয়া সরকার এবং কোরিয়ান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (কয়কা) সহযোগিতা করেছে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, দ্রুত দেশের আটটি বিভাগীয় সদর দপ্তরে ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব স্থাপন করা হবে। তিনি বলেন, চট্টগ্রামে উদ্বোধন করা ল্যাবটি সিআইডির নেতৃত্বে পরিচালিত হবে। তবে ডিজিটাল ফরেনসিক বিশ্লেষণ ও পরীক্ষার ক্ষেত্রে বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে সমন্বয় ও সহযোগিতা থাকবে। জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে ডিজিটাল ফরেনসিক সুবিধা সম্প্রসারণের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, পুলিশ সাইবার ইউনিটের নেতৃত্বে কেন্দ্র থেকে উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত ডিজিটাল বিশ্লেষণের সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে। আধুনিক অপরাধ তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়ায় ডিজিটাল ফরেনসিক বিশ্লেষণের গুরুত্ব তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মানুষের বিচারপ্রাপ্তি ত্বরান্বিত করতে বিভিন্ন ধরনের বিশ্লেষণ প্রয়োজন হয়। এসব ক্ষেত্রে সাক্ষ্য-প্রমাণ সংগ্রহের পাশাপাশি সেগুলোর যথাযথ সার্টিফিকেশনও গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, সময়ের সঙ্গে অপরাধের ধরন পরিবর্তিত হয়েছে। আধুনিক ডিজিটাল জগতে সংঘটিত অপরাধ প্রতিরোধ ও দমনে সরকার প্রয়োজনীয় আধুনিক ল্যাবরেটরি, প্রযুক্তি ও অন্যান্য সরঞ্জাম নিয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে।

অপরাধ দমন করতে গিয়ে পুলিশ সদস্যদের মাঝেমধ্যে হামলার শিকার হওয়ার বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ ধরনের ঘটনা নতুন নয়। তবে অপরাধীদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। আসামি গ্রেপ্তারে বাধা দেওয়া কিংবা অপরাধীদের আশ্রয় ও সহায়তা করার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অপারেশন ক্লিন হার্ট ছিল অপরাধ দমনের লক্ষ্যে পরিচালিত একটি যৌথ অভিযান। ২০০২ সালের ১৬ অক্টোবর শুরু হয়ে ২০০৩ সালের ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত চলা এ অভিযানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, তৎকালীন বাংলাদেশ রাইফেলস (বিডিআর), পুলিশ ও আনসার সদস্যরা অংশ নেন। প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, অভিযানে ৫০ হাজারের বেশি নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য অংশ নিয়েছিলেন এবং যৌথ বাহিনী ১১ হাজার ২৪৫ জন সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করেছিল। এবারের বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন, অপরাধ দমনে সরকার নিয়মিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যক্রম জোরদার করতে চায়; তবে অপারেশন ক্লিন হার্টের মতো অভিযান পরিচালনার কোনো পরিকল্পনা নেই।