Dhaka 3:04 am, Sunday, 13 September 2026
শিরোনাম:
পঞ্চগড়-কক্সবাজার রেলপথে যুক্ত হবে দেশের দুই প্রান্ত, ব্যয় ৬০ হাজার কোটি নারীদের শিক্ষার আলোয় আলোকিত ও আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হতে হবে: রুহুল কবির রিজভী সারের কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা, অসাধুচক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: কৃষিমন্ত্রী তিন মাসে ডেঙ্গু সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করব’—প্রধানমন্ত্রী আগামী মার্চের মধ্যে পদ্মা ব্যারেজের নির্মাণকাজ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী: পানিসম্পদ মন্ত্রী ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে ৭ জনের মৃত্যু, বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা পুরো ঢাকা সিসিটিভির আওতায় আনতে প্রকল্প পুনর্গঠন করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকতায় সরকারের হস্তক্ষেপ থাকবে না: তথ্যমন্ত্রী ন্যায়বিচার ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন একসঙ্গে এগোতে হবে : হুমায়ুন রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ইরানের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

গোপালগঞ্জ পরিস্থিতি নিয়ে সেনাবাহিনীর বিবৃতি

সময় পোস্ট: গোপালগঞ্জে একটি রাজনৈতিক দলের জুলাই মাসের পদযাত্রা কর্মসূচিকে ঘিরে আয়োজিত জনসমাবেশে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। গতকাল বুধবার এই ঘটনায় উচ্ছৃঙ্খল জনতা সংঘবদ্ধ হয়ে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালায়। এতে প্রাথমিকভাবে পুলিশ সদস্য ও সাংবাদিকসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। একইসঙ্গে শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও সরকারি যানবাহনেও ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়।

পরিস্থিতির অবনতি ঘটলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও স্থানীয় পুলিশ তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপ করে এবং তাৎক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আজ বৃহস্পতিবার আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানায়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘রাজনৈতিক সংগঠনের সমাবেশ চলাকালে মঞ্চে আবার হামলা চালানো হয়। একই সঙ্গে জেলা কারাগারে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়। এ অবস্থায় সেনাবাহিনী মাইকে বারবার ঘোষণা দিয়ে হামলাকারীদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করলে তারা সেনাবাহিনীর ওপর হামলা চালায় এবং বিপুল ককটেল, ইটপাটকেল ছুড়ে মারে। একপর্যায়ে সেনাবাহিনী আত্মরক্ষার্থে বলপ্রয়োগে বাধ্য হয়।’

এরপর সেনাবাহিনী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও পুলিশ যৌথভাবে অভিযানে নেমে বিশৃঙ্খলাকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে গোপালগঞ্জে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আশ্রয় গ্রহণকারী ব্যক্তিদের সেনাবাহিনীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে খুলনায় স্থানান্তর করা হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পেশাদারিত্ব ও ধৈর্যের সঙ্গে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, বর্তমানে গোপালগঞ্জে সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং প্রশাসন ঘোষিত কারফিউ এখনো বলবৎ রয়েছে। সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, র‍্যাব এবং অন্যান্য প্রশাসনিক সংস্থাগুলো একযোগে কাজ করছে।

আইএসপিআর বিজ্ঞপ্তিতে দেশবাসীকে গুজব বা অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হয়ে ধৈর্য ধারণ এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতার আহ্বান জানানো হয়। এতে বলা হয়, ‘বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের সার্বভৌমত্ব ও জননিরাপত্তা রক্ষায় সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

News Update

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়-কক্সবাজার রেলপথে যুক্ত হবে দেশের দুই প্রান্ত, ব্যয় ৬০ হাজার কোটি

গোপালগঞ্জ পরিস্থিতি নিয়ে সেনাবাহিনীর বিবৃতি

Update Time : 01:00:12 pm, Thursday, 17 July 2025

সময় পোস্ট: গোপালগঞ্জে একটি রাজনৈতিক দলের জুলাই মাসের পদযাত্রা কর্মসূচিকে ঘিরে আয়োজিত জনসমাবেশে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। গতকাল বুধবার এই ঘটনায় উচ্ছৃঙ্খল জনতা সংঘবদ্ধ হয়ে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালায়। এতে প্রাথমিকভাবে পুলিশ সদস্য ও সাংবাদিকসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। একইসঙ্গে শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও সরকারি যানবাহনেও ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়।

পরিস্থিতির অবনতি ঘটলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও স্থানীয় পুলিশ তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপ করে এবং তাৎক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আজ বৃহস্পতিবার আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানায়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘রাজনৈতিক সংগঠনের সমাবেশ চলাকালে মঞ্চে আবার হামলা চালানো হয়। একই সঙ্গে জেলা কারাগারে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়। এ অবস্থায় সেনাবাহিনী মাইকে বারবার ঘোষণা দিয়ে হামলাকারীদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করলে তারা সেনাবাহিনীর ওপর হামলা চালায় এবং বিপুল ককটেল, ইটপাটকেল ছুড়ে মারে। একপর্যায়ে সেনাবাহিনী আত্মরক্ষার্থে বলপ্রয়োগে বাধ্য হয়।’

এরপর সেনাবাহিনী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও পুলিশ যৌথভাবে অভিযানে নেমে বিশৃঙ্খলাকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে গোপালগঞ্জে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আশ্রয় গ্রহণকারী ব্যক্তিদের সেনাবাহিনীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে খুলনায় স্থানান্তর করা হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পেশাদারিত্ব ও ধৈর্যের সঙ্গে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, বর্তমানে গোপালগঞ্জে সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং প্রশাসন ঘোষিত কারফিউ এখনো বলবৎ রয়েছে। সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, র‍্যাব এবং অন্যান্য প্রশাসনিক সংস্থাগুলো একযোগে কাজ করছে।

আইএসপিআর বিজ্ঞপ্তিতে দেশবাসীকে গুজব বা অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হয়ে ধৈর্য ধারণ এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতার আহ্বান জানানো হয়। এতে বলা হয়, ‘বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের সার্বভৌমত্ব ও জননিরাপত্তা রক্ষায় সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’